একটি বীমা  পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগে আপনার কয়েকটি জিনিস পরীক্ষা করা উচিত।

বীমা কভারেজ বীমাকৃত ব্যক্তির বার্ষিক আয় এবং আর্থিক উদ্দেশ্যের উপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত।

অনেক ব্যক্তি  অপর্যাপ্ত কভারেজ বেছে নেয়, যা পরে পরিবারের জন্য আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে, একই প্রিমিয়ামে সল্প মেয়াদ নিলে বীমা রাশি বা কভারেজ কম হয়ে যায় অনেকটাই ।

তবুও, কিছু ব্যক্তি  অল্প মেয়াদের  জন্য বীমা পলিসি চেয়ে নেয় । যদি পলিসির মেয়াদ সংক্ষিপ্ত হয় তবে পলিসির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে আপনাকে অবশ্যই নতুন পলিসি কিনতে হবে

আপনি পরবর্তী সময় যখন একটি নতুন বীমা পরিকল্পনা কিনতে চাইবেন , তখন  একই শর্তে নাও পেতে পারেন এবং প্রিমিয়াম আরও অনেক বেশী বেড়ে যাবে । আপনি যখন পলিসি কিনছেন তখনকার বয়সের নিরিখে আপনার বীমা পলিসি -র প্রিমিয়াম ধার্য হয় । এ ছাড়া ঐ সময় নতুন পলিসি করানোর জন্য যে শারিরীক যোগ্যতা দরকার হয় অনেকের ক্ষেত্রে সেটা থাকে না, ফলে তার প্রস্তাব বাতিল হতে পারে অথবা অতিরিক্ত প্রিমিয়াম যোগ হতে পারে । তাই চাপমুক্ত এবং আর্থিকভাবে নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য আপনাকে অবশ্যই দীর্ঘ মেয়াদী জীবনবীমা  কভারেজ কিনতে হবে।

এছাড়াও দীর্ঘ মেয়াদী প্ল্যানএ আরো অনেক সুবিধা – যেমন –

১) দীর্ঘ মেয়াদী বীমা পলিসিতে একজন গ্রাহক অনেক বেশী হারে বোনাস পান , তাছাড়া অতিরিক সুবিধা বা ফাইনাল আডিসনাল বোনাস কেবল দীর্ঘ মেয়াদী বীমা পলিসিতেই দেওয়া হয় । আপনার পলিসি -র  মেয়াদ আরো সুদীর্ঘ হলে কেবল এই ফাইনাল আডিসনাল বোনাস এর কারণেই আপনার পলিসির ম্যাচুরিটি -র পরিমাণ বিরাট  পরিমাণে বেড়ে যায় ।

২ ) আমাদের জীবনের অনেক বড়ো মাপের আর্থিক ফান্ডের  দরকার হয় আমাদের পরিবারের / সন্তান বা নিজের বা স্পাউসের জন্য দীর্ঘ মেয়াদ (১৫/২০/২৫ বছর ) পর, আর সেগুলি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা অপরিহার্য প্রযোজনীয়তা , যার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা এবং দীর্ঘ দিন ধরে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে সঞ্চয়ের দ্বারাই বিপুল পরিমাণ অর্থ ভান্ডার গঠন করা সম্ভব , সল্প মেয়াদী নয় ।  

Leave a Reply

Designed with WordPress

Discover more from JEEVAN PRABAHA TRAINING CENTRE

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading